ছোট পর্দায় আবার দেখা যাবে চাঁদনীকে

বাংলাদেশের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী। দীর্ঘ দিন ধরে মিডিয়ায় অনুপস্থিত তিনি। চলতি বছরের শুরুতেই কন্ঠশিল্পী ও সংগীত পরিচালক বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে দীর্ঘ ১০ বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানেন চাঁদনী। চাঁদনীর স্বামী সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার ইতমধ্যে উপস্থাপিকা,অভিনেত্রী তানিয়া হোসেনকে বিয়ে করেছেন। খুব একটা ভাল সময় যাচ্ছিল না চাঁদনীর। ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন কাটিয়ে উঠে তিনি আবারো অভিনয়ে ফিরছেন।

মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী ২০০৮ সালে বাপ্পা মজুমদারকে বিয়ে করেছিলেন। চার বছর বয়সে চাঁদনী নৃত্যু শেখা শুরু করেন। তিনি হিরুর অধীনে ভারতনাট্যম, আধুনিক এবং বাংলাদেশী নৃত্য শেখেন। বিটিভিতে প্রচারিত নতুন কুঁড়িতে দলগত নাচে তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন। বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা অর্জন করেছেন চাঁদনী। দুই বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০০১ সালে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত লালসালু চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য পেয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্র অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তৌকির আহমেদের জয়যাত্রা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য পেয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্র অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

 

বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর অনেকটা আড়ালেই চলে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এরপর খুব একটা কাজে দেখা যায়নি তাকে। কারণ হিসেবে চাঁদনী জানান, ‘ঘর-সংসার নিয়ে খুবই এলোমেলো ছিলাম। কাজে মনোযোগী হওয়ার পরিস্থিতি ছিল না। একটু শান্তির জন্য বাবার বাড়ি এসেছিলাম। আমি আসার পরপরই বাবা মারা গেলেন! সব কিছু মিলিয়ে আমি পাথর হয়ে গিয়েছিলাম।

তিনি আরো জানান, গত ছয় বছর আমি কাজ থেকে দূরে ছিলাম। সংসারটা মন দিয়ে করতে চেয়েছিলাম। সেটা হলো না। এতে অনেক পিছিয়ে গিয়েছি। এই সময়ের অনেকেই জানে না আমি কী করছি। তবে এটি সত্যি, আমি এখন কাজ করার জন্য প্রস্তুত।

 

কয়েকটি নাটকের স্ক্রিপ্ট হাতে পেয়েছেন। বিজ্ঞাপনের জন্য অফার পেয়েছেন। দ্রুত কাজে ফিরবেন এটাই প্রত্যাশা করেন চাঁদনী ভক্তরা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *