ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছেনা অং সান সু চি’র পুরস্কার

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গা ‘গণহত্যা’ ও বর্বরাচিত আক্রমনের জন্য সমালোচনার শিকার হন দেশটির নেত্রী ও  শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চি। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বমাধ্যম সু চি’র নোবেল শান্তি পুরস্কার বাতিলের দাবি করে আসলেও বাতিল হচ্ছেনা সু চি’র পুরস্কার ।

 

এক বছর আগে অপারেশন শুরু হওয়ার পর থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান মারা গেছে এবং সাত লাখ পালিয়ে  গেছে। বেশিরভাগই প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশর শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে।

 

অং সান সু চি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন ১৯৯১ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য তার লড়াইয়ের জন্য। এছাড়া নোবেল পদকের নিয়ম অনুযায়ী, এ পুরস্কার প্রত্যাহারের কোনও সুযোগ নেই।’

 

২৯ আগস্ট ২০১৮ বুধবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ওলাভ নজেলস্তাদ বলেন, ‘এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, পদার্থবিজ্ঞান, সাহিত্য বা শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয় এ পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের মতো প্রচেষ্টা বা অতীতের অর্জনের জন্য।

 

একজন নোবেল বিজয়ী পুরস্কার জয়ের পর কী করছেন তার নজরদারি বা সমালোচনা করা আমাদের এখতিয়ারের বাইরে।  নিজের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব পুরস্কার বিজয়ীর নিজের।

 

২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির পরপরই সু চি’র নোবেল শান্তি পুরস্কার বাতিলের দাবি আসলে নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস-অ্যান্ডারসেন টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে  বলেছিলেন, “আমরা এটি করতে পারি না।

 

অন্যদিকে  ২৭ আগস্ট ২০১৮ সোমবার জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা অভিযানের  সাথে  ধর্ষণ চালানোর মত গুরুতর অপরাধের জন্য যৌথভাবে  মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাং এবং আরও পাঁচজন জেনারেলের  আন্তর্জাতিক আইনের অধীন বিচার করা উচিত।

 

জাতিসংঘের  এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান  করে মিয়ানমারের মুখপাত্র জাও তায়ে বলেন, তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের এই প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত নন এবং সেটা গ্রহণও করছেন না।



সুত্র: ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *