ব্যর্থতাকে-না-বলুন

সারা দেশে একযোগে প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ছাত্র জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এ অধ্যায়ে অনেকে আশানোরূপ ফলাফল করলেও অনেকের আশায় হয়তো পূরণ হয় না।

মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ন ধাপ গুলো পেরিয়ে সময় আসে জীবনের লক্ষের দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধে মেধা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই ছিটকে পরে নিজের কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সুযোগ থেকে।

“পারিবোনা এ কথাটি বলিওনা আর, একবার না পারিলে দেখো শত বারই’’ -একবার ব্যর্থ হলেই মুখ ফিরিয়ে নিলে চলবে না।অনেকে এ সময় হতাশ হয়ে পড়ে। হারিয়ে ফেলে জীবনের লক্ষ। এ অবস্থা যেন না হয় তার জন্যে আগেই থেকে নিতে হবে প্রস্তুতি। কোন কিছু পারিনি বলে নিজের মধ্যে অপরাধবোধ জমিয়ে রাখলে হবেনা।নিজেকে ক্ষমা করতে শিখতে হবে।ভুল থাকবেই ভুলকে স্বীকার করে সামনে এগিয়ে চলতে হবে।

জীবনে চলার পথে ঘাত-প্রতিঘাত থাকবে। ‘আমাকে দিয়ে হবে না’, ‘আমি পারবো না’ –এই সকল নেতিবাচক চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। মানসিক ভাবে নিজেকে শক্ত করে গড়ে তুলতে পারলে যেকোন কঠিন পরিস্থিতি থেকে নিজেকে উত্তোলন করা সম্ভব। সমস্যাকে এক দিক থেকে চিন্তা না করে বিভিন্ন দিক থেকে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয়াই বুদ্ধিমানের লক্ষণ। তাই চিন্তা ভাবনার পরিধীকে বিকাশিত করতে হবে।মানুষের মন ও দেহ একে অন্যের সাথে জড়িত। মন ভালো রাখতে হলে শরীরের প্রতিও নিতে হবে বিশেষ যত্ন।
অনেক সময় কিছু কিছু পরিবেশ নিজের নিয়ন্ত্রনের মধ্যে থেকে না। অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে প্রয়োজন সহযে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। ধীরে ধীরে অনুশীলনের মাধ্যমে তা অর্জন করা সম্ভব।
কিশোরকালীন এই বয়সটাতে অনেকের চোখেই রঙ্ঘিন চশমা পরা থাকে।চশমার ভিতর দিয়ে না তাকিয়ে বাস্তবতার দৃষ্টিকোন থেকে জীবনকে দেখতে হবে। তবেই ধীরে ধীরে নিজিকে একজন দূরদর্শী ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *